1. »
  2. সমগ্র দেশ

শালবন বিহারে দর্শনার্থী কমেছে ১০ গুণ

বিডি প্রেস ডেস্ক রিপোর্ট মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০ ০৫:৩৪ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০ ০৫:৩৪ পিএম

শালবন বিহারে দর্শনার্থী কমেছে ১০ গুণ

কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর চালু হলেও দর্শনার্থীদের তেমন সাড়া নেই। দর্শনার্থী কমেছে প্রায় ১০গুণ। বন্ধের আগে মার্চ মাসের ১৬দিনে আসে ৯০হাজার দর্শনার্থী, সেখানে বন্ধের পরে সেপ্টেম্বর মাসে ১৫দিনে দর্শনার্থী আসে মাত্র আট হাজার। অন্য সময় শীত, ঈদ আর বিভিন্ন উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় থাকতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে দর্শনার্থী নেই বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
 
সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসে দর্শনার্থী আসে এক লাখ ৯৮ হাজার, রাজস্ব আয় ২৬ লাখ। মার্চ মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত শালবন বিহার চালু থাকে। ১৬দিনে আসে ৯০ হাজার দর্শক, আয় ১১ লাখ টাকা। করোনার বন্ধের পরে ১৬ সেপ্টেম্বর শালবন বিহার পুনরায় চালু করা হয়। ওই মাসের ১৫ দিনে আসে আট হাজার ৬০৬ জন দর্শনার্থী। আয় হয় এক লাখ ৭৯হাজার। অক্টোবর মাসে দর্শনার্থী আসে ২২ হাজার, আয় চার লাখ ৩৫হাজার। ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত আসে ১৭ হাজার দর্শনার্থী। আয় হয় প্রায় তিন লাখ টাকা।
সূত্রমতে, কুমিল্লা মহানগর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে শালবন বিহার। এখানে অষ্টম শতকের পুরাকীর্তি রয়েছে। রয়েছে ময়নামতি যাদুঘর। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কুমিল্লা আসার জন্য রেল ও সড়কপথে যাতায়াতের সুব্যবস্থা থাকায় দর্শনার্থীরা এখানে সহজে আসতে পারেন।
শালবন বিহারে গিয়ে দেখা যায়, শেষ বিকেল। টিকেট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা আবদুল মালেক দর্শনার্থীদেও বলছেন ৫টা পর্যন্ত চালু থাকবে। বিকালের আলো আকাশি গাছের পাতা ভেদ করে ছড়িয়ে আছে অষ্টম শতকের পুরাকীর্তি শালবন বিহারের উপর। বিহারের পাশে পাতা বাহার আর মুসুন্ডা ফুল তার শোভা ছড়িয়ে দিলেও এই রূপ দেখার কেউ নেই। অল্প কিছু দর্শনার্থী ঘুরছেন, স্বজনদের সাথে ছবি ও সেলফি তুলছেন।